ঢাকা (BST) বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬ | ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন
কলকাতা (IST) বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬ | ০১:১৬ পূর্বাহ্ন
+8801000000001 info@songbad24.top
বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

ভারতে ভারি বৃষ্টি-বন্যায় ১০০ জনের প্রাণহানি

প্রকাশিত: ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০৬:২৬ অপরাহ্ন
পঠিত: ১ বার
ভারতে ভারি বৃষ্টি-বন্যায় ১০০ জনের প্রাণহানি
<p>ভারতের কয়েকটি রাজ্যে চলতি বর্ষা মৌসুমে মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যায় জনজীবন ব্যাহত হচ্ছে। দেশটিতে ভারি বৃষ্টি-বন্যায় ১০০ জনের প্রাণহানি হয়েছে। এর মধ্যে আসামে ৮৫ জন আর কেরালায় ১৫ জন মারা গেছে।</p>

<p>সোমবার (৩ আগস্ট) এই তথ্য জানিয়েছে ভারতের গণমাধ্যম দ্য হিন্দু ও বার্তা সংস্থা রয়টার্স।</p>

<p>কেরালা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ভি ডি সতীশন জানান, এখনো সাতজন নিখোঁজ রয়েছেন। তিনি আরও জানান, টানা ভারি বৃষ্টির মধ্যে রাজ্যজুড়ে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।&nbsp;&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমলেও তা এখনো অব্যাহত রয়েছে। ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি) রাজ্যের ১০ জেলায় বৃষ্টির সতর্কতা কমলা সংকেতে উন্নীত করেছে। রোববার রাত থেকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টি সোমবার (৩ আগস্ট) সকালেও কেরালার গুরুত্বপূর্ণ শহর কোচিতে অব্যাহত ছিল।</p>

<p>শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বন্যা পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর এক সংবাদ সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, &lsquo;সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল ৯টা পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে ৩১৬টি ত্রাণশিবির চালু রয়েছে। সেখানে বৃষ্টি ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১১ হাজার ১৮ জন আশ্রয় নিয়েছেন।&rsquo;</p>

<p>ভারি বর্ষণের কারণে কেরালাজুড়ে অধিকাংশ স্কুল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রাজ্য পর্যায়ের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষাও স্থগিত করেছে সরকার।</p>

<p>সোমবার (৩ আগস্ট) ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি) কেরালার বৃষ্টির সতর্কতা হলুদ থেকে কমলা সংকেতে উন্নীত করেছে এবং প্রবল বৃষ্টির সতর্কতা দিয়েছে। তিরুবনন্তপুরম, কোল্লাম, ত্রিশূর ও পালাক্কাড জেলা ছাড়া রাজ্যের বাকি সব জেলাকে কমলা সতর্কতার আওতায় আনা হয়েছে।</p>

<p>রাজ্যের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে জানিয়েছে, সোমবারও কিছু এলাকায় তীব্র বাতাসের সঙ্গে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হতে পারে। অপরদিকে, রোববার আসামের বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে বলে দ্য হিন্দুর অপর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।</p>

<p>রাজ্যের পাঁচ জেলায় বন্যার কারণে ১ লাখ ৩৫ হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন। তবে এর আগে প্রকাশিত দুই লাখের হিসাবের তুলনায় বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা কমেছে।</p>

<p>রোববার রাজ্যের শিবসাগর জেলায় আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। যার ফলে চলতি বছরে বৃষ্টিপাত ও বন্যায় আসামে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮৫ জনে দাঁড়িয়েছে বলে সরকারি প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।</p>

মন্তব্যসমূহ (০)

এখনও কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যটি আপনি করুন!